প্রিন্ট এর তারিখঃ সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬, ৮:৪১ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ মে ২৩, ২০২৬, ৪:৫৩ এ.এম
এলডিপিপি প্রকল্পে প্রশংসনীয় সাফল্য এনেছেন ড. মোস্তফা কামাল

নিজস্ব প্রতিবেদক:
বাংলাদেশের দুগ্ধ ও মাংস উৎপাদনে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের আওতাধীন দেশের অন্যতম বৃহৎ ‘প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্প’ (এলডিডিপি)। বিশ্বব্যাংক ও বাংলাদেশ সরকারের যৌথ অর্থায়নে পরিচালিত এই মেগা প্রকল্পটি দেশের গ্রামীণ অর্থনীতি সচল করতে এবং নিরাপদ প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। মাঠ পর্যায়ের খামারি থেকে শুরু করে সংশ্লিষ্ট খাতের বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বর্তমান প্রকল্প পরিচালক ড. মোঃ মোস্তফা কামালের যোগ্য ও দক্ষ নেতৃত্বে প্রকল্পটি সুচারুভাবে পরিচালিত হচ্ছে এবং এর সুফল তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছাতে শুরু করেছে।
প্রকল্পের অংশীজন এবং মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা জানান, বর্তমান প্রকল্প পরিচালক ড. মোঃ মোস্তফা কামালের সার্বক্ষণিক তদারকি, জবাবদিহিতা ও দূরদর্শী সিদ্ধান্তের কারণে মাঠ পর্যায়ে কাজের গতি বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। যেকোনো প্রাতিষ্ঠানিক জটিলতা দূর করে সঠিক সময়ে প্রান্তিক খামারিদের কাছে সরকারি সুযোগ-সুবিধা ও প্রণোদনা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে তিনি দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। তাঁর এই গতিশীল নেতৃত্ব ও দক্ষ ব্যবস্থাপনার ফলেই সরকারের এই মেগা প্রজেক্টটি আজ সাফল্যের মুখ দেখছে।
দেশের ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যাকে সুস্থ ও সবল রাখতে নিরাপদ দুধ, ডিম ও মাংসের জোগান দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। এলডিপিপি প্রকল্পটি খামারিদের আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ করে দিয়ে দেশে দুধ ও মাংসের উৎপাদন উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি করেছে। করোনাকালীন বিপর্যয় ও তৎপরবর্তী অর্থনৈতিক মন্দার মাঝেও এই প্রকল্প দেশের পুষ্টির চাহিদা মেটাতে এবং খামারিদের টিকে থাকতে মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশের প্রাণিসম্পদ খাতকে বাণিজ্যিক রূপ দিতে এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG) অর্জনে এই প্রকল্পের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং এর কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণ করা অত্যন্ত জরুরি।
Copyright © 2026 অপরাধ সংবাদ ২৪. All rights reserved.