• মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৩:৩২ অপরাহ্ন
⚡শিরোনামঃ
নিয়ম ভেঙে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ক্যাডারকে কাজ পাইয়ে দিলেন এলজিইডির পিডি ছয়ফুদ্দীন ‘ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীও তারেক রহমানের ভাষায় আশ্বাস দিয়েছেন’ সরকারের ঘরেই শত্রুদের বসবাস? ফাইনালের আগে বিড়ম্বনায় আর্জেন্টিনা গণপূর্তের আজিমপুর বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ফয়সাল হালিমের বিরুদ্ধে নানান অপকর্ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ‘ছাগলকাণ্ড’ মতিউরকেও টেক্কা দিলো এনবিআরের সহিদুল দুর্নীতির বরপুত্র এলজিইডির পিডি খন্দকার আসাদুজ্জামান  এলডিপিপি প্রকল্পে প্রশংসনীয় সাফল্য এনেছেন ড. মোস্তফা কামাল  কথিত সাংবাদিক নয়, সিনিয়র সাংবাদিকদের পৃষ্ঠপোষকতা করুন: এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী এলজিইডিতে ফ্যাসিবাদের দোসর ও দুর্নীতিবাজ পিডিদের অপসারণের দাবি

নিয়ম ভেঙে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ক্যাডারকে কাজ পাইয়ে দিলেন এলজিইডির পিডি ছয়ফুদ্দীন

অপরাধ সংবাদ২৪ ডেস্ক:
আপডেট: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬

Share

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : কমিশন বাণিজ্য ও ছলচাতুরী করে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ক্যাডার ছোটনকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা শহর (নন-মিউনিসিপ্যাল) মাস্টার প্ল্যান প্রণয়ন ও মৌলিক অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালক ছয়ফুদ্দিনের বিরুদ্ধে।

কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে হাতিরঝিলের আদলে উপজেলার সদরের চড্ডা এলাকায় নির্মাণাধীন নান্দনিক হাওরা আর্চ গার্ডার সেতুর কাজের টেন্ডার পাইয়ে দেন রিনা জেবিকে। উপজেলা এলজিইডি অফিস থেকে তার সুপারিশে রিনা জিবিকে রেস্পন্সিভ করে পিডি অফিসে পাঠানো হয়েছে। রিনা জেবির কর্ণধার বা লিড পার্টনার হলো নিষিদ্ধ ও সন্ত্রাসী দল আওয়ামী লীগের এমপি আ ক ম বাহাউদ্দিনের ঘনিষ্ঠ পলাতক যুবলীগ নেতা ছোটন।

উপজেলা এলজিইডি অফিস বলছে, পলাতক যুবলীগ নেতা ছোটন কখনও এ কাজ করতে পারবে না। এই নান্দনিক ব্রীজ করতে যে-ধরনের ইকুইপমেন্ট প্রয়োজন তার কোনটাই নেই রিনা জেবির। আর ঐ কোম্পানির এধরনের কাজের কোন অভিজ্ঞতা নেই বলেও জানা যায়।

জানা গেছে, বছর ধরে ঝুলে আছে একাজটি। নির্ধারিত মেয়াদে কাজ শেষ করতে না পেরে সেতুর অসমাপ্ত কাজ রেখেই চলে গেছে ঠিকাদার।এরপর তিন বছর পেরিয়ে গেছে। এর মধ্যে নয় বার দরপত্র আহ্বান করা হলেও কোন ঠিকাদার অংশ গ্রহণ করেনি। ফলে যাতায়াতে চরম দুর্ভোগে পড়েছে ঐ এলাকার কয়েক হাজার বাসিন্দা।

সূত্র বলছে, উপজেলা সদর থেকে হাওরা উত্তরপাড়া সড়কেচড়া এলাকায় নদনা খালের উপর ২০২০ সালে সেতুটির নির্মাণ কাজ শুরু করে ঠিকাদার। দরপত্রের চুক্তি অনুযায়ী ২০২২ সালে কাজটি শেষ হওয়ার কথা থাকলেও ঠিকাদারকে দুই দফা সময় বাড়িয়েও সেতুটির অর্ধেক কাজ শেষ হয়নি। মেয়াদান্তে কাজটি শেষ করতে না পারায় ২০২৩ সালে সেতুটির কার্যাদেশ বাতিল করা হয় এবং পরবর্তীতে কয়েকদফা পুনঃদরপত্র আহবান করা হয়। সরেজমিনে দেখা গেছে, নির্মাণাধীন সেতুটির দুই প্রান্তে দুইটি গার্ডারের কাজ সমাপ্ত হয়েছে। নির্মাণকাজ বন্ধ থাকায় খোলা আকাশের নিচে রোদ পুড়ে নষ্ট হচ্ছে গার্ডারের অংশবিশেষ।

এলজিইডি কুমিল্লার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মফিজ উদ্দিন বাবুল জানান, পূর্ববর্তী ঠিকাদার কাজটি সমাপ্ত না করে চলে যাওয়ায় সেতুটির অসমাপ্তকাজের জন্য ৯ বার পুনঃদরপত্র আহ্বান করা হলেও কোনো ঠিকাদার অংশগ্রহণ করেননি।
ফলে কাজটি বাস্তবায়নে অনিশ্চয়তা দেখা দেয়।সর্বশেষ চলতি বছরের জানুয়ারী মাসে সম্পাদিত কাজ ও ডিজাইন অপরিবর্তিত রেখে অবশিষ্ট কাজের নতুন প্রাক্কলন তৈরি করে (১০তম বার) সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়। গত আট মে প্রকল্পটি অনুমোদনের কথা জানান তিনি। বর্তমানে কাজটির টেন্ডার প্রত্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। তবে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কোন ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দেওয়া ও সহযোগিতা করা হলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী। আপনারা সেখানে রিপোর্টসহ অভিযোগ দায়ের করুন।


এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ