• সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:১৫ পূর্বাহ্ন
⚡শিরোনামঃ
প্রধানমন্ত্রীর সঠিক নির্দেশনায় গণপূর্ত অধিদপ্তরে অবিস্মরণীয় উন্নয়ন সাধিত হচ্ছে: প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান চৌধুরী ফিফা সভাপতি ও ট্রাম্পের সংযোগ নিয়ে লাখো মানুষের অভিযোগ সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজের অব্যবহৃত টাকা ফেরত দেওয়া হবে: কায়কোবাদ ব্যবসায়িক সংকটের মধ্যেও বিপিএমইএ গণতান্ত্রিক নির্বাচন প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করার অপচেষ্টা নিয়ম ভেঙে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ক্যাডারকে কাজ পাইয়ে দিলেন এলজিইডির পিডি ছয়ফুদ্দীন ‘ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীও তারেক রহমানের ভাষায় আশ্বাস দিয়েছেন’ সরকারের ঘরেই শত্রুদের বসবাস? ফাইনালের আগে বিড়ম্বনায় আর্জেন্টিনা গণপূর্তের আজিমপুর বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ফয়সাল হালিমের বিরুদ্ধে নানান অপকর্ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ‘ছাগলকাণ্ড’ মতিউরকেও টেক্কা দিলো এনবিআরের সহিদুল

এলজিইডির প্রকল্প কাগজে, টাকা মিরাজ দম্পতির ঘরে!

অপরাধ সংবাদ২৪ ডেস্ক:
আপডেট: শনিবার, ৩১ জানুয়ারী, ২০২৬
Oplus_131072

Share

নিজস্ব প্রতিবেদক : কাগজে এলজিইডির উন্নয়ন প্রকল্প, বাস্তবে কোথাও কাজের চিহ্ন নেই। অথচ সরকারি কোষাগার থেকে বেরিয়ে গেছে হাজার হাজার কোটি টাকা। সেই অর্থের শেষ ঠিকানা পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ার সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. মিরাজুল ইসলাম ও তাঁর স্ত্রী শামীমা আক্তারের নামে থাকা ব্যাংক হিসাব ও সম্পদের ভাণ্ডার।

অনুসন্ধান শেষে এমন অভিযোগ আনা হয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এর পক্ষ থেকে।

অভিযোগ অনুযায়ী, গত এক দশকে এই দম্পতি চারটি ঠিকাদারি লাইসেন্স ব্যবহার করে প্রকল্প বাস্তবায়ন না করেই প্রায় ২৮০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন। একই সঙ্গে তাঁদের নামে পাওয়া গেছে অন্তত ১২২ কোটি টাকার অজানা ও আয় বহির্ভূত সম্পদের সন্ধান।

মানিলন্ডারিং ও জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে আজ বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুদক পিরোজপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয় থেকে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাটি দায়ের করেছেন পিরোজপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয় সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম।

দুদকের ওই কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম মামলা দুটি তদন্ত করবেন বলে জানা গেছে।প্রকল্প হয়নি, টাকা গেছে
দুদকের এজাহার অনুযায়ী, মিরাজুল ইসলাম তাঁর মালিকানাধীন ইফতি ইটিসিএল (প্রা.) লিমিটেড, ইফতি এন্টারপ্রাইজ এবং সাউথ বাংলা ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল নামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স ব্যবহার করে এলজিইডির একাধিক প্রকল্পের বিল উত্তোলন করেন। কিন্তু প্রকল্প বাস্তবায়নের কোনো বাস্তব প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এভাবে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করে ৯টি ব্যাংকের মাধ্যমে অন্তত দুই হাজার ৬৭৯ কোটি টাকা স্থানান্তর, হস্তান্তর ও রূপান্তর করা হয়েছে বলে দুদকের অভিযোগ।

তদন্ত কর্মকর্তাদের মতে, এটি পরিকল্পিত মানিলন্ডারিংয়ের স্পষ্ট আলামত।সম্পদের পাহাড়, আয়ের খাতায় ফাঁক
দুদকের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, মিরাজুল ইসলামের নামে জমি, বাড়ি, ফ্ল্যাট, দোকানসহ স্থাবর সম্পদ রয়েছে। পাশাপাশি ব্যাংক আমানত, ব্যবসার মূলধন, কম্পানির শেয়ার এবং ৯টি গাড়ি মিলিয়ে তাঁর মোট সম্পদের মূল্য ১১৬ কোটি ৮৩ লাখ টাকার বেশি।

অথচ গ্রহণযোগ্য আয়ের উৎস মাত্র ১৭ কোটি ৭১ লাখ টাকা। দায়-দেনার কোনো তথ্য না থাকায় প্রায় ৯৯ কোটি টাকার সম্পদ জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ বলে উল্লেখ করা হয়েছে এজাহারে।

 


এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ