• রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৫৬ পূর্বাহ্ন
⚡শিরোনামঃ
ফিফা সভাপতি ও ট্রাম্পের সংযোগ নিয়ে লাখো মানুষের অভিযোগ সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজের অব্যবহৃত টাকা ফেরত দেওয়া হবে: কায়কোবাদ ব্যবসায়িক সংকটের মধ্যেও বিপিএমইএ গণতান্ত্রিক নির্বাচন প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করার অপচেষ্টা নিয়ম ভেঙে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ক্যাডারকে কাজ পাইয়ে দিলেন এলজিইডির পিডি ছয়ফুদ্দীন ‘ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীও তারেক রহমানের ভাষায় আশ্বাস দিয়েছেন’ সরকারের ঘরেই শত্রুদের বসবাস? ফাইনালের আগে বিড়ম্বনায় আর্জেন্টিনা গণপূর্তের আজিমপুর বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ফয়সাল হালিমের বিরুদ্ধে নানান অপকর্ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ‘ছাগলকাণ্ড’ মতিউরকেও টেক্কা দিলো এনবিআরের সহিদুল দুর্নীতির বরপুত্র এলজিইডির পিডি খন্দকার আসাদুজ্জামান 

এলডিপিপি প্রকল্পে প্রশংসনীয় সাফল্য এনেছেন ড. মোস্তফা কামাল 

অপরাধ সংবাদ২৪ ডেস্ক:
আপডেট: শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬

Share
নিজস্ব প্রতিবেদক:
বাংলাদেশের দুগ্ধ ও মাংস উৎপাদনে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের আওতাধীন দেশের অন্যতম বৃহৎ ‘প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্প’ (এলডিডিপি)। বিশ্বব্যাংক ও বাংলাদেশ সরকারের যৌথ অর্থায়নে পরিচালিত এই মেগা প্রকল্পটি দেশের গ্রামীণ অর্থনীতি সচল করতে এবং নিরাপদ প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। মাঠ পর্যায়ের খামারি থেকে শুরু করে সংশ্লিষ্ট খাতের বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বর্তমান প্রকল্প পরিচালক ড. মোঃ মোস্তফা কামালের যোগ্য ও দক্ষ নেতৃত্বে প্রকল্পটি সুচারুভাবে পরিচালিত হচ্ছে এবং এর সুফল তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছাতে শুরু করেছে।
প্রকল্পের অংশীজন এবং মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা জানান, বর্তমান প্রকল্প পরিচালক ড. মোঃ মোস্তফা কামালের সার্বক্ষণিক তদারকি, জবাবদিহিতা ও দূরদর্শী সিদ্ধান্তের কারণে মাঠ পর্যায়ে কাজের গতি বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। যেকোনো প্রাতিষ্ঠানিক জটিলতা দূর করে সঠিক সময়ে প্রান্তিক খামারিদের কাছে সরকারি সুযোগ-সুবিধা ও প্রণোদনা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে তিনি দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। তাঁর এই গতিশীল নেতৃত্ব ও দক্ষ ব্যবস্থাপনার ফলেই সরকারের এই মেগা প্রজেক্টটি আজ সাফল্যের মুখ দেখছে।
দেশের ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যাকে সুস্থ ও সবল রাখতে নিরাপদ দুধ, ডিম ও মাংসের জোগান দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। এলডিপিপি প্রকল্পটি খামারিদের আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ করে দিয়ে দেশে দুধ ও মাংসের উৎপাদন উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি করেছে। করোনাকালীন বিপর্যয় ও তৎপরবর্তী অর্থনৈতিক মন্দার মাঝেও এই প্রকল্প দেশের পুষ্টির চাহিদা মেটাতে এবং খামারিদের টিকে থাকতে মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশের প্রাণিসম্পদ খাতকে বাণিজ্যিক রূপ দিতে এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG) অর্জনে এই প্রকল্পের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং এর কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণ করা অত্যন্ত জরুরি।


এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ