
নিজস্ব প্রতিবেদক : সড়ক অবকাঠামো খাতের সবচেয়ে বড় প্রকল্প সাউথ এশিয়ান সাব রিজিওনাল কো-অপারেশন বা সাসেক-২ প্রকল্প। বাংলাদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থায় যুগান্তকারী পদক্ষেপ সাসেক-২। এ প্রকল্পের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন একজন নিষ্ঠাবান অক্লান্ত কর্মবীর ড. মো: ওয়ালিউর রহমান। তিনি দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রকল্পের ব্যাপক অগ্রগতি পরিলক্ষিত হয়। পর্যায়ক্রমে সফলতার সংঙ্গে তিনি প্রকল্পের কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছেন। সংশ্লিষ্ট অনেকেই বলছেন ওয়ালিউর রহমান দায়িত্ব গ্রহণের ফলে প্রকল্পের কার্যক্রমে গতি এসেছিলো এবং যথাসময়েও সম্পন্ন হয়েছে। এ প্রকল্পের অগ্রগতি, বাস্তবায়ন ও সমন্বয় সাধনে তার যথেষ্ট ভূমিকা রয়েছে।
সাসেক-২ প্রকল্পের অন্যতম লক্ষ্য হলো টাঙ্গাইলের এলেঙ্গা থেকে রংপুর পর্যন্ত মহাসড়ককে চার লেনে উন্নীত করা। এছাড়াও মহাসড়ক উন্নয়ন তথা ১৯০.৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এলেঙ্গা-হাটিকুমরুল-রংপুর মহাসড়ককে সার্ভিস লেনসহ চার লেনে উন্নীত করা হয়েছে। এর ফলে ঢাকা থেকে রংপুরের যাত্রার সময় প্রায় ২ ঘণ্টা কমে এসেছে।হাটিকুমরুল ইন্টারচেঞ্জ: সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুলে আন্তর্জাতিক মানের একটি বিশাল ইন্টারচেঞ্জ নির্মাণ করা হচ্ছে, যার কাজ ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
ফ্লাইওভার ও ওভারপাস: প্রকল্পের আওতায় মোট ৬টি ফ্লাইওভার এবং একাধিক রেলওয়ে ওভারপাস ও ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণ করা হয়েছে। সেতু ও কালভার্ট: মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে ৩২টি বড় সেতু এবং ১৮০টি কালভার্ট নির্মাণ করা হয়েছে।আন্ডারপাস: নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে ৩৯টি আন্ডারপাস নির্মাণের কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে। প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি: সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের (আরএইচডি) সক্ষমতা বাড়াতে একটি অত্যাধুনিক রোড রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার (আরআরটিসি) স্থাপন করা হয়েছে। আইটিএস ও টোল প্লাজা: মহাসড়ক ব্যবস্থাপনায় ‘ইন্টেলিজেন্ট ট্রান্সপোর্ট সিস্টেম’ (আইটিএস) এবং আধুনিক টোল প্লাজা স্থাপন করা হয়েছে। এই প্রকল্পটি দক্ষিণ এশীয় উপ-আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা (সাসেক) এর অংশ হিসেবে বাংলাদেশ ও প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে সড়ক সংযোগ স্থাপনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।