
তাঁদের মধ্যে জামায়াতের এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ ও নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্নার মতো নেতারাও রয়েছেন।
কক্সবাজার-২ আসনে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল সাবেক সংসদ সদস্য এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদের মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। গতকাল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে যাচাইয়ের সময় মামলাসংক্রান্ত জটিলতায় প্রথমে স্থগিত রাখা হলেও পরে তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়। গোলাম মাওলা নামের আরও একজনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। কক্সবাজার-১ আসনে ইসলামী আন্দোলনের সরওয়ার আলম কুতুবী ও স্বতন্ত্র সাইফুল ইসলামের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
বগুড়া-২ আসনে নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্নাসহ চারজনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। হলফনামার তথ্যে গরমিল থাকায় মান্নার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। সম্পদ বিবরণীর ফরম দাখিল না করায় জাতীয় পার্টির সাবেক এমপি শরিফুল ইসলাম জিন্নাহর মনোনয়ন বাতিল হয়। গণঅধিকার পরিষদের সেলিম সরকার এবং স্বতন্ত্র রেজাউল করিম কালুর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে।
যশোরে পাঁচজনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে।যশোর-৩ আসনে ইসলামী আন্দোলনের মুহাম্মদ শোয়াইব হোসেনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। যশোর-৪ আসনে বিএনপির টি এস আইয়ূব, বিএনপির বিদ্রোহী অ্যাডভোকেট সৈয়দ এ এইচ সাবেরুল হক সাবু, স্বতন্ত্র ফারহান সাজিদ ও জাতীয় পার্টির জহুরুল হকের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। বরিশাল-৫ আসনে খেলাফত মজলিসের এ কে এম মাহবুব আলম এবং এক স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে।
খুলনা-৫ ও খুলনা-৬ আসনে তিনজনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। তাঁরা হলেন—খুলনা-৫ আসনে জাতীয় পার্টির শামীম আরা পারভীন (ইয়াসিন), খুলনা-৬ আসনের জাতীয় পার্টির মো. মোস্তফা কামাল জাহাঙ্গীর এবং স্বতন্ত্র মো. আছাদুল বিশ্বাস। বগুড়া-১ আসনে সমর্থক ভোটারদের তথ্যে গরমিল পাওয়ায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেত্রী শাহাজাদী আলম লিপির মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে।